করোনা সংক্রমণ এড়াতে সাইকেল ও মোটর সাইকেল এখন প্রধান সড়ক সাথী আমজনতার

প্রসেনজিৎ বিশ্বাস,কলকাতা।
দীর্ঘ আড়াই মাস লকডাউনে ছন্দপতন হয়েছে স্বাভাবিক জীবন যাত্রার।জরুরী বিভাগে যারা কাজ করেন- থানা, ব্যাংক, এটিএম থেকে শুরু করে হাসপাতাল,মুদি দোকান, বেকারী, সাফাই কর্মী তাদের অনেকের কাজের গন্তব্যেস্থলে যেতে হিমসিম খেতে হয়েছে।
আড়াই মাস পরে জনজীবন স্বাভাবিক হলেও ট্রেন , মেট্রো এখনো সাধারন মানুষের জন্য বন্ধ। বাস, অটোর ভাড়া বাড়ছে দ্রুত গতিতে। তাই সাইকেল, মোটর সাইকেলের উপর এখন বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন সাধারণ মানুষ।


তাদের দাবি,”টানা লকডাউনে জীবিকার তাগিদে ঘরের বাইরে বেরোতে হয়েছে। যানবাহন বন্ধ থাকায় ঘোর সংকটের মধ্যে পড়তে হয়েছে তাদের।তার মধ্যে আবার দফায় দফায় বাড়ছে লোকডাউন, সাপ্তাহিক লকডাউন। তাই সাইকেল, মোটরসাইকেল কাজের অনেক সুযোগ করে দিয়েছে”। আবার কেউ কেউ বলছেন, “অনেক দূরে কাজে যেতে হয়। ট্রেন আমাদের প্রধান ভরসা।ট্রেন বন্ধ থাকায় কাজের গন্তব্যে পৌঁছাতে দম বন্ধ করা পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।ভাড়া গুনতে হচ্ছে অনেক বেশী।সময়ও লাগছে দ্বিগুন।তাই বাইকে এখন কাজে অনেকটা স্বস্তির শ্বাস মিলছে। অধিকাংশ মানুষের দাবি,” যানবাহন অনেকটা স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে এলেও সেখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। যতদিন যাচ্ছে করোনা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। অনেক সময় ভিড়ের মধ্যে গা ঘেঁষাঘেঁষি করে কাজে যেতে হচ্ছে।যেটা আতঙ্কের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই মোটর সাইকেলে যাত্রা করা অনেক বেশি নিরাপদ।
চার চাকা গাড়ি কেনা অধিকাংশ মধ্যবিত্ত, সাধারন মানুষের কাছে বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সাইকেল, মোটর সাইকেলকে এখন একমাত্র এবং প্রধান নিরাপদ সড়ক সাথী হিসেবে মনে করছেন আমজনতা।