গ্রামীণ নার্সিংহোমে চিকিৎসায় অঙ্গহানি রোখা সম্ভব হল যুবকের

কল্যাণ অধিকারী, হাওড়া

আমতার জয়পুর গ্রামের যুবক কুশানু মন্ডল করাত কলে কাজ করবার সময় বাঁ হাতের পুরো রেডিয়াল আর্টারি কেটে গিয়েছিল। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল শিরা উপশিরা থেকে হাড়ও। দ্রুত ভাস্কুলার আনাসটোমোসিস করায় সুস্থ হয়ে উঠতে শুরু করেছে যুবক। কলকাতার কোনও হাসপাতালে না গিয়ে গ্রামীণ হাওড়ার মানকুর মোড়ের ছোট্ট একটি বেসরকারি হাসপাতাল অসাধ্য সাধন করেছেন চিকিৎসকরা।

কুশানুর ভাই জানান, দাদা রবিবার অন্যান্য দিনের মতো করাত কলে কাজে যান। কাজ করবার সময় হাত মেশিনে ঢুকে যায়। স্থানীয় বিবিধর হাসপাতালে প্রথমে নিয়ে আসা হয়। রেডিয়াল আর্টারি কেটে গেছে বলে জানানো হয়। পরে মানকুর মোড়ে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকদের চেষ্টায় সুস্থ হয়ে উঠছে দাদা। চিকিৎসক সুদীপ্ত মল্লিক বলেন, ওর হাতের রেডিয়াল আর্টারি কেটে ঝুলছিল। প্রয়োজন এমারজেন্সি ভাস্কুলার সার্জারী। সেইমতন সমস্তকিছু ব্যবস্থা করা হয়। এখন সুস্থ রয়েছে।

সমাজকর্মী সুরজিৎ অধিকারী প্রথম থেকে পরিবারের পাশে থেকেছেন। তিনি জানান, কলকাতার কোনও হাসপাতালে না গিয়ে গ্রামীণ হাওড়ার মানকুর মোড়ের ছোট্ট একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভাস্কুলার আনাসটোমোসিস এর জটিল চিকিৎসা করায় গ্রামীণ চিকিৎসা ব্যবস্থার উপর আস্থা ফিরছে গ্রামবাসীদের। এভাবে চিকিৎসা হলে বহু মানুষের অঙ্গহানি হবার সম্ভাবনা কমবে। গ্রামীণ হাসপাতাল ও নার্সিংহোমের উপর নির্ভরতা বাড়বে।