হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরে দুষ্কৃতীদের বোমা ফেটে মৃত ১ , আহত ৮

কল্যাণ অধিকারী, হাওড়া

দুষ্কৃতীদের কাছে রাখা বোমা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠলো উদয়নারায়নপুরের গুমগড়। ঘটনায় আহত ৮ মৃত ১ বলে জানা গেছে। এলাকায় চাপা উত্তেজনা থাকায় পুলিশ ও র‍্যাফ নামানো হয়েছে। মৃতের নাম সেখ সাদ্দাম।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালে উদয়নারায়ণপুর থানার গুমগড় এলাকায় খুন হয় সেখ হালিম নামে এক যুব তৃণমুল কমী। তাঁকে গুলি করে মারা হয়। ঘটনায় অভিযুক্ত সেখ আসফার আলি কে গ্রেফতার করা হয়। জেল থেকে কিছুদিন আগেই জামিনে মুক্ত হয়। ওই মামলায় আমতা আদালতে সাক্ষ্য শুরু হবে। তার আগে থেকে সাক্ষ্যদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠছিল। এমনকি মৃত সেখ হালিমের ভাইকেও হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। সেইমতন উদয়নারায়ণপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। সোমবার গভীর রাতে উদয়নারায়াণপুরের গুমগড় গ্রামে পাম্প হাউসে বোমা সহ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সেখ আসফার প্রায় ১৪ জনের একটি দুস্কৃতীদল নিয়ে জড়ো হয়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। এলাকা ঘিরে ধরে। তখনই পুলিশ কে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ে। পালাতে গিয়ে বোমা বিস্ফোরণ হয়, গুরুতর আহত হয় ৮ জন। বাকিরা পলাতক। আহত সবাইকেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আরও জনা গেছে, উদয়নারায়ণপুরে তৃণমুল কমী খুনে আমতা কোর্টে ট্রায়াল রান চলাকালীন সাক্ষীদের ভয় দেখাতে এলাকায় দুষ্কৃতীরা জড়ো হয়েছিল। পুলিশের আছে আগাম খবর থাকায় এলাকায় মোতায়েন ছিল পুলিশ ও র‍্যাফ। পুলিশের খবর পেয়েই দুষ্কৃতীরা পালানোর সময় নিজেদের আনা বোমা বিস্ফোরণে মৃত্য হয় ১দুষ্কৃতীর। আহতের সংখ্যা ৮। সবাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আহতদের উদয়নারায়ণপুর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। মুল অভিযুক্ত সেখ আসফার আলি পলাতক।

উদয়নারায়ণপুর থানার ওসিকে ফোন করা হলেও ফোনে যোগাযোগ করা যায়নি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশীষ মৌর্য সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, পুলিশ এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ কে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ে। পরে ছুটে পালাতে গেলে বোমা ফেটে আহত হয় দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্তদের।