ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে মৈত্রী সম্পর্ক বাড়াতে এবং প্লাস্টিক বর্জিত পরিবেশ তৈরির বার্তা দিতে সাইকেলে পাড়ি বাংলাদেশ

কল্যাণ অধিকারী, হাওড়া :-

সাইকেল হাতে তিন যুবক। পরনে  গেঞ্জি, জিন্স প্যান্ট, মাথায় সেনার টুপি, কাঁধে ব্যাগ। তাঁদের পাশে আরও দুজন। একজন রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায়। অপরজন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা। উপস্থিত শ দুয়েক সাধারণ মানুষ। 

ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে মৈত্রী সম্পর্ক বাড়াতে এবং প্লাস্টিক বর্জিত পরিবেশ তৈরির বার্তা দিতে সাইকেল কে বেছে নিয়েছেন তিন যুবক। ওই সাইকেলে চেপে পাড়ি জমাবে বাংলাদেশ। মৈত্রীর প্রচার করাটা তাঁদের লক্ষ্য। সময় লাগবে প্রায় ১২ দিন। দূরত্বটা মোটেও কম নয় প্রায় ৭৫৪ কিমি। ২৮ তারিখ ঢাকা হয়ে কক্সবাজার পৌঁছাবে। সাইকেল চাকা ঘুরবার সময় সাহসের মাপকাঠি বাড়াতে সঙ্গ দিলেন মন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা। ওঁদের সঙ্গে বেলঘরিয়া অবধি সাইকেল চালিয়ে গেলেন লক্ষ্মীরতন। 

শনিবার সকাল। হাওড়া ব্রিজের পাশে বাসস্ট্যান্ড লাগোয়া নেতাজী মূর্তির পাদদেশে বহু মানুষ এসে হাজির হয়েছেন। ‘মেক প্ল্যাস্টিক ফ্রি এনভারনমেন্ট’ কে সামনে রেখে সাইকেলে পাড়ি জমাবে বাংলাদেশ। হাওড়া থেকে যাত্রা শুরু হয়ে বালি-ডানলপ। তারপর বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে বনগাঁ সীমান্ত। তারপর সীমান্ত পার করে বাংলাদেশ ঢাকায় পৌঁছাবেন। ভারত বাংলাদেশের মধ্যে মৈত্রী সম্পর্ক বাড়ানো এবং প্লাস্টিক বর্জিত পরিবেশ তৈরির বার্তা রাখা। এমন একটি প্রয়াসে পাশে পেয়েছেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী অরূপ রায় এবং লক্ষ্মীরতন শুক্লা কে। আপ্লুত ওঁরা। চোখেমুখে খুশির ঝিলিক।        

যাত্রার শুরুতে মন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা নিজে একটি সাইকেল চালিয়ে তিনজনের সঙ্গ দেন। স্কাই কালারের পাঞ্জাবি পড়ে কিছুটা সাইকেল চালান অরূপ রায় নিজেও। দুই মন্ত্রীর কথাতেও ছিল মৈত্রীর প্রকাশ। তাঁরা জানান, দুই বাংলার মধ্যে নাড়ির যোগ। এই ধরনের যাত্রা দু দেশের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে। আর ওঁরা তিনজন শ্রী পার্থ মুখার্জি, সুপ্রতিম মজুমদার ও মানস কান্তি ঘোষ দৃঢ় দৃষ্টি মনে সঙ্কল্প নিয়ে এগিয়ে চললেন আর একটা বাংলার উদ্দেশ্যে। লক্ষ্য মৈত্রী সম্পর্ক বাড়ানো এবং প্লাস্টিক বর্জিত পরিবেশ তৈরির বার্তা তুলে ধরা।