পুজোর বাজার জমিয়ে দিল পেঁয়াজের ঝাঁজ

কল্যাণ অধিকারী, হাওড়া

মাঝে বাকি একটা রবিবার তারপর বাঙালির সেরা উৎসব দুর্গাপূজা। কোনভাবেই রবিবার মিশ করতে চায়নি। বেলা গড়াতেই শহরের বিভিন্ন নামকরা শোরুমে উপচে পড়েছে ভিড়। জামাকাপড় থেকে জুতো, গয়না থেকে ব্যাগ মনের মতো করে কিনতে মগ্ন ছিল আট থেকে আশি।

রবিবার সকাল টা মধ্যবিত্তের চোখে ঝাঁজ এনে দিয়েছে। এ দিন খোলা বাজারে সত্তর টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে পেঁয়াজ। পাইকারি বাজারে পেঁয়াজ বেশি দামে বিক্রি হওয়ায় খোলা বাজারে দাম ছিল বেশি। ব্যবসায়ীদের একাংশের দাবি, আরতে পেঁয়াজ চাহিদার তুলনায় যোগান কম থাকায় দাম বেড়েছে। রানিহাটি বাজারে ৬৫-৭০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আমতা বাজারের ব্যবসায়ী শৈবাল আদক জানান, এ দিন পেঁয়াজের দাম ছিল সত্তর টাকা। একটা সময় ছিল উদয়নারায়নপুর এলাকার কয়েক হেক্টর জমিতে ছোট পেঁয়াজের চাষ হতো। দাম কম থাকতো, খেতেও সুস্বাদু। আলু চাষের উপর ভরসা করতে থাকায় পেঁয়াজ চাষ থেকে মুখ ফেরাচ্ছে। ফলে ছোট পেঁয়াজ আর আসছে না।

বিশ্বকর্মা পুজোর পর প্রথম রবিবার ভিড় ছিল হাওড়া ময়দান, সালকিয়া এসি মার্কেট, রামরাজাতলা সহ বিভিন্ন এলাকায়। শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এসেছেন মন্দার বাজারেও পরিবারের জন্য কেনাকাটায় মননিবেশ করতে। ঠিক এই সময়টায় বিক্রি-বাট্টা করতে তাকিয়ে থাকেন ব্যবসায়ীরাও। ময়দান চত্বরে হাওড়া স্ট্রোর্স, শপিং মল, শ্রীলেদার্সের জুতো শোরুম ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। এছাড়া ছোট-মাঝারি রেডিমেড দোকানেও কেনাকাটা চলেছে। তবে বস্ত্র বিপণির কর্তাদের আক্ষেপ কারখানা ও জুট মিলে সঠিক সময়ে বোনাস না হওয়ায় বিকিকিনি বাড়ছে না। শুভংকর দাস নামে এক হোসিয়ারি দোকানের মালিকের কথায়, অন্যান্য বছর তুলনায় এ বছর পুজোর মার্কেট বসা। যে পরিমাণে জামাকাপড় তোলা হয়েছে সেই অনুপারে ক্রেতার দেখা মিলছে না।