নদী ফুলে ফেঁপে উঠছে , বড়ো সমস্যা বৌলেরকুটি গ্ৰামে বাসিন্দাদের

রবীন্দ্রনাথ বর্মন , দিনহাটা, ২৪ এপ্রিল : নদী আছে , তাই জল আছে। আর সেই নদী কখনো ফুলে ফেপে ওঠে রুপ নেয় বর্ষার। আবার সেই নদীই বৈশাখ-চৈত্র মাসে হাঁটু জল থাকে। বুড়াধরলা নদী দুটো গ্ৰামের মধ্যে দিয়ে বয়ে চলেছে আপন বেগে। একটি গ্ৰামের নাম দাড়কামারি, অপরটি বৌলেরকুটি। আর সেই দুটো গ্ৰামের শো পাঁচেক মানুষের বাস। যদিও বৈশাখ – চৈত্র মাসের দিনগুলো ভালো ভাবেই কাটে এপার – ওপারের মানুষের। হাঁটু জল থাকায় ওই মাসগুলোতে হেঁটে চলাচল করে স্থানীয়রা। কিন্তু বন্যায় তাদের জীবনে নদী নিয়ে আসে চরম দুর্ভোগ। নদী যেন সমস্যা হয়ে উঠেছে দিনহাটা ১ নং ব্লকের পেটলা গ্ৰাম-পঞ্চায়েতের অন্তর্গত দাড়কামারি গ্ৰামের জনজীবনে। যে হারে নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে । এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য বুড়াধরলার প্রাকৃতিক গতি পথকে মাটি দিয়ে ভরাট করে ওই গ্ৰামের মানুষ। তারা নিজেরাই টাকা পয়সা খরচ করে নদীর কৃত্রিম গতি পথে বয়ে চলার বন্দোবস্ত করে। তারা ভেবে ছিল এতেই সমস্যার সমাধান হবে । কিন্তু দু’দিনের বৃষ্টিতে নদী গর্ভে জলের সঞ্চার হতে শুরু করেছে। এর ফলে নদীর জল কৃত্রিম গতি পথে বয়ে যেতে বাঁধার সৃষ্টি হয়েছে। এখন সেই গতি পথে প্রশস্থ সংকীর্ণ হওয়ায় নদীর জল উপচে পড়ছে বৌলেরকুটি গ্ৰামের কিছু ধান খেতে। ধান নষ্টের আশঙ্কা দেখে স্থানীয় হারাধন বর্মন জানান , ” দারকামারি গ্ৰামের মানুষ নদীটা বানছে ফলে সামনের কিছু দেখেনি এরা , তাই এখন কেমন করে জল পার করবে সেটা তাদের ব্যাপার।” এদিকে দারকামারি গ্ৰামের হারাধন বর্মন জানান ” বৌলেরকুটি গ্ৰামের মানুষদের যদি নদীর জলে অসুবিধা হয় তাহলে আমি এই নদীর জলের নালাটার বন্দোবস্ত করছি, আর তার জানাও ছিল না যে নদীর জল উপচে ধান খেতে যাবে।” অতিসত্বর যদি নদীর গতি পথ প্রশস্থ না করা হয় তাহলে নদীর গতিপথের সামনে থাকা গ্ৰামগুলি বড়োসড় সমস্যার সম্মুখীন হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে স্থানীয়দের অনেকেই।