আমতায় পথ নিরাপত্তার পাঠ দিলেন প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা

কল্যাণ অধিকারী, হাওড়া  

‘সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ’ প্রচারে সাফল্য এসেছে কমেছে দুর্ঘটনা। প্রায়শই বলে থাকেন প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরা। গ্রামীণ পুলিশের একটি সূত্র বলছে হেলমেট পড়ে গতি মেপে গাড়ি চালানোয় গ্রামীণ এলাকায় কমেছে দুর্ঘটনা। কিন্তু তারপরও বিভিন্ন সময় দেখা যায় কানে হেডফোন গুঁজে বিনা হেলমেটে বাইক চালিয়ে যাচ্ছেন। বিপদের সম্মুখীন হতে সময় লাগে না বেশি। গ্রামীণ পুলিশের উদ্যোগে আমতা থানার ব্যবস্থাপনায় শনিবার আমতায় পায়ে হেঁটে প্রচার চালাল প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা।

আমতা সিটিসি বাসস্ট্যান্ড থেকে নতুন রাস্তার মোড় অবধি প্রায় এক কিমি পথ পায়ে হেঁটে ৩১ তম জাতীয় সড়ক সুরক্ষা সপ্তাহের এর রঙিন প্রচার চালানো হয়। দু-তিনটি স্কুলের শতাধিক ছাত্রছাত্রী এলাকার মানুষের সামনে পথ নিরাপত্তার পাঠ দিল। সঙ্গে ছিলেন আমতা থানার অফিসার ইন চার্জ টিম্পু দাস। আমতা ১নং সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক লোকনাথ সরকার। আমতা ১নং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ধনঞ্জয় বাকুলি। আমতা হাসপাতালের ডিএমএইচ। সবাকিছু কে ছাপিয়ে চোখে পড়বার মত ছিল একটি মডেল। সাধারণ মানুষ কে সচেতন করতে হুডখোলা গাড়িতে কানে হেডফোন গুঁজে বাইক নিয়ে দুর্ঘটনার শিকার একটি মডেল চমকে দিয়েছে।

চতুর্থ বর্ষে পড়তে চলল রাজ্য সরকারের ‘সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ’ প্রকল্প। এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কবিতাও লিখেছেন। মূলত দুর্ঘটনার বলি থেকে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম কে রক্ষা করতে একাধিক সচেতনতার বার্তা দেওয়া হচ্ছে। চালকরা নিজেদের জীবনের স্বার্থেই ট্রাফিক নিয়ম কানুন মেনে রাস্তায় চলবে। ৩১ তম পথ নিরাপত্তা সপ্তাহ পালনে আমতা থানার ওসি টিম্পু দাস জানান, “আমরা চাই পথসুরক্ষায় থাকুক সকলে। ‘সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ’ কে মেনে সকলে যদি ড্রাইভ ঠিকভাবে করেন তাহলে দুর্ঘটনা অনেক কমবে। পদযাত্রায় একটি দুর্ঘটনার মডেল কেও রেখেছিলাম। সাধারণ মানুষের জীবনের স্বার্থে এ দিন হেলমেট প্রদান করা হয়।”

পদযাত্রা শেষে মঞ্চে মাইক হাতে বিনা হেলমেট আরোহীদের সচেতনতা দেন উপস্থিত প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। এ দিন অনেকগুলি স্কুলের পড়ুয়ারা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে। কী ভাবে রাস্তা পারাপার করতে হয়, গাড়ি চালাতে কখনওই কানে হেডফোন গুঁজে নয়। নিয়ম মেনে গাড়ি চালাতে হবে। একাধিক সচেতনতার পাশাপাশি বিনা হেলমেট আরোহীদের হেলমেট প্রদান করা হয়। আয়োজন করা হয়েছিল সঙ্গীতের।