প: ব: বিধানসভায় সি এ এ বিরোধী প্রস্তাব পাস

নিজস্ব প্রতিবেদক ; কলকাতা ২৭ জানুয়ারী : বিধান সভায় পাস হল সি এ এ বিরোধী প্রস্তাব।তবে সোমবার কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সংশোধন আনার কথা বললেও পরে পরিষদীয় মন্ত্রীর অনুরোধে সংশোধন থেকে বিরত হন কংগ্রেসের বিধান সভার সদস্য মনোজ চক্রবর্তী।এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি প্রস্তাব নিয়ে বলেন এন পি আর ও সি এ এ নিয়ে প্রস্তাব এনেছি তার কারণ এটা জনবিরোধী ও সংবিধান বিরোধী সিদ্ধান্ত। আমরা সিপিআইএম এর ইডিওলজি মানতে বাধ্য নই। অবশ্যই বিজেপি আইডিওলজি মানব না এই বিষয়ে সবচেয়ে প্রথম আমরাই এই প্রস্তাব পাস করেছি। তার পরে কেউ কেউ করেছে। আমাদের ভারতবর্ষের সংবিধানের প্রতি দায়িত্ব আছে। সেটা আমরা পালন করব। সবাই কে নিয়ে সমাজ। অসহিষ্ণুতা দেশে বেড়ে চলেছে। দেশের সংবিধান কে রাজনৈতিক ভাবে ব্যবহার করে বিদ্বেষ মূলক আচরণ করবে সেটা আমরা মানব না। বিজেপি যদি বলে কে কি খাবে কে কি পড়বে তাদের হঠকারী সিদ্ধান্ত কে মানব না। গায়ের জোরে সংবিধান কে টুকরো টুকরো করা যায় না। আমরা সবাই যদি রাজনীতিক তাহলে মানুষের মধ্যে বিভেদ কেনো। বিজেপি র কাছে এন আর সি হল রাজনৈতিক এজেন্ডা। তারা পরিকল্পিত ভাবে এটা আনার চেষ্টা করছে। যারা বাংলার আইন শৃঙ্খলা নিয়ে কথা বলে তারা আমাদের প্রতিনিধিদের অসমে এয়ারপোর্ট থেকে নামতে দেওয়া হয়নি।ইস্যু এক, আমাদের এখানে দ্বিমত নেই। যে আন্দোলন করতে চাই করে। যারা অনুপ্রবেশ নিয়ে কথা বলছেন তাদের বলি বর্ডারগুলি কেন্দ্রের হাতে।এয়ারপোর্ট ওদের হাতে। বি এস এফ ও ওরা দেখাশোনা করে।মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেস সিপিএম কে বলেন আপনারা বিজেপি কে সমর্থন করেন বলে বি জে পি র বাড়-বাড়ন্ত হয়েছে। এদিন ফরওয়ার্ড ব্লকের বিধায়ক আলি ইমরান রামজ বলেন বিজেপি যা করছে তাতেই হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে একটা ঘৃণ্য অবস্থার সৃষ্টি করছে। এই আইন বাতিল করতে হবে। অমিত শাহ বলছেন মুসলিমরা পাকিসতানে যাও। মুসলিমদের বিজেপি নিশানা করেছে। এরা এখন হিন্দু বলে গরিবদের মারছে। টুকরো টুকরো গ্যাঙ্গ তৈরি করছে। যে প্রস্তাবে এ দিন নেওয়া হলো সেটা আগে নিলে বাংলা সবার আগে থাকত। বাম পরিষদীয় দলের নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন সারা দেশজুড়ে এর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলছে। বাইরের দেশে এ নিয়ে চর্চা চলছে। ভোটাররা যদি নাগরিক না হন তাহলে কেন্দ্রীয় সরকার পদত্যাগ করুক। বিরোধী দলের নেতা আব্দুল মান্নান বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলায় এসে জনরোষের ভয়ে জলপথ ব্যবহার করলেন। তিনি বলেন দিল্লিতে পাগলের রাজত্ব চলছে প্রধানমন্ত্রী এক কথা বলছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরেক কথা বলছেন।
।।।।।।।।