লকডাউন ! মাথায় হাত মৃৎশিল্পীদের

প্রসেনজিৎ বিশ্বাস ; কলকাতা , ১৭ এপ্রিল : সময়ের ধুলো পড়েছে তাদের শিল্পে অনেকদিন আগে। বিশ্বায়নের আঁচে পুড়ছে তাদের শিল্প। আগের মতন মাটির তৈরি জিনিসের চাহিদা সেরকম নেই । মাটির জিনিস অত্যন্ত পরিবেশবান্ধব হলেও , প্লাস্টিক , থার্মোকলের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় আজ অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে। লকডাউন এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে তাদের কেনা-বেচা বন্ধ। কোন অর্ডার পাচ্ছেনা তারা। শিল্পী সুমিতের দাবি “আমাদের বাজার এমনিতেই আগের থেকে অনেক মন্দা। তারমধ্যে লকডাউন এর ফলে পরিস্থিতি আরও শোচনীয়। যানবাহন বন্ধ তাই মাটির গাড়ি ও বহুদিন হলো আসছে না।জানিনা কবে আসবে। সারাদিন বসে সময় কাটছে না। কিছু মাটি পড়ে আছে,তা দিয়ে সামান্য কিছু জিনিস বানিয়ে রাখছি।মিষ্টির দোকান চালু হওয়ায় ভেবেছিলাম চাহিদা বাড়বে,কিন্তু ১লা বৈশাখেও কেনাবেচা একেবারে সামান্য হয়েছে। যন্ত্রচালিত এবং অযন্ত্রচালিত সব যান এখন প্রায় বন্ধ। তার ফলে ব্যবসার পরিস্থিতি খুব খারাপ।জানিনা এরকম ভাবে কি করে আমাদের চলবে। অনেকের দাবি, করোনার থাবা থেকে বাঁচতে, সরকার লকডাউনকেই সব থেকে বড় হাতিয়ার বলে মনে করছেন। কিন্তু অনেকের দাবি, এর ফলে দিন আনা দিন খাওয়া মজুররা না খেতে পেয়ে মারা যাবে।সরকার থেকে সাহায্য পাওয়া গেলেও সেটা যথেষ্ট নয়।যত দিন যাচ্ছে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে।