মহামিলনের উৎসব ‘মিলন উৎসব’

স্বপন কারিকর ; কলকাতা : শনিবার পার্কসার্কাস ময়দানে বৈচিত্রের মাঝে ঐক্য মহামিলনের উৎসবের শুভ সূচনা করেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম । ফিরহাদ বলেন, মমতা বন্ধ্যোপাধ্যায় সিএএ, এন আর সির বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিবাদ করেন। এখন সবাই মাঠে নেমে প্রতিবাদ করছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার প্রমান করলেন, বাংলা আজ যা ভাবে পরের দিন ভারত তা ভাবে। এই রাজ্যে সব মানুষের সমান অধিকার। তিনি সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু যেই হন।

সুব্রতবাবু বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সঙ্কট যা মানুষকে বিভাজনের চেষ্ট করছে, তাকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে প্রতিরোধ করতে হবে। তাই সব ভেদাভেদ ভুলে এক সঙ্গে লড়তে হবে। আজকের মিলন উৎসব দেখলেই বুঝবেন বাংলায় ভেদাভেদ চলে না। দেখুন এখানে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ খৃষ্টান, জৈন, পাজ্ঞাবি পাশাপাশি বসে। এটাই আসল বাংলা, এটাই ভারত। এই ঐক্য আমাদের নয়নের মণি। তাকে আমরা রক্ষা করব।

তিন দিনের মিলন উৎসবের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য জানাতে গিয়ে সংখ্যলঘু উন্নয়ন ও বিত্ত নিগমের চেয়ারম্যান ডাঃ পি বি সেলিম জানান,এই উৎসব আসলে সংখ্যালঘু বিত্ত নিগমের সহায়তায়, শিক্ষা, ব্যবসা তথা স্বনির্ভতার প্রতীক। এবারের উৎসবের অন্যতম লক্ষ্য, জব ফেয়ার। ৬০ টি নামিদামি প্রতিষ্ঠান জব ফেয়ারস অংশ নিচ্ছে। আশা এই মেলাতেই ১০০০ জনের চাকরির সংস্থান কবে। তবে লক্ষ ৮০০০ চাকরির সংস্থান করা।

তিনি বলেন, এবারের মিলন উৎসবে আর্থিক ভাবে সহায়তা পাওয়া মানুষরা তো থাকছেনই, তেমনি শিক্ষিত সংখ্যালঘু যুবক যুবতি, তরুণ তরুণীদের জীবনে প্রতিষ্ঠা পেতে সাহায্য করতে ব্যবস্থা করা হয়েছে কেরিয়ার স্টল।