করোনা আতঙ্ক : জীবানু নাশক ষ্প্রে অভিযান কোচবিহারের পাটছড়ায়

রবীন্দ্রনাথ বর্মন, কোচবিহার, ৫ এপ্রিল : কোচবিহার ১ নং ব্লকের অন্তর্গত পাটছড়া গ্ৰাম পঞ্চায়েত এলাকার বিভিন্ন রাস্তাঘাট সহ হাটবাজারে জীবাণু নাশক ষ্প্রে করল গ্ৰামীণ সম্পদ কর্মী সহ ভিসিটি মেম্বাররা রবিবার। এদিন ওই এলাকা সংলগ্ন নতুন বস্কিরহাটে গ্ৰামীণ সম্পদ কর্মীরা দল বেধে কাজে লেগে যায়। অপরদিকে ওই এলাকা সংলগ্ন ডাঙ্গারহাট বাজার সহ রাস্তাঘাটে অভিযান চালায় তারা। করোনা ভাইরাস হাত থেকে বাঁচতে এই ষ্প্রে অভিযান বলে জানা গেছে। জীবানু নাশক উপকরণ ব্লিচিং পাউডার, ডিডি পাউডার, ফিনাইল দিয়ে চললো ষ্প্রে অভিযান। এইজেলার ‘গ্রামীণ সম্পদ’ কর্মীরাও অন্যদের সঙ্গে সমান তালে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় পথে নেমেছেন। তাঁরা অবশ্য কর্তব্য করে চলেছেন তীব্র আশঙ্কার মধ্যে। তাঁরাই গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নিয়ে আসছেন এই সময় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিরা কেমন আছেন। বাইরে থেকে কোনও বাড়িতে নতুন লোক এসেছেন কিনা সেই খবরও তাঁরাই সংগ্রহ করছেন। নিয়মিত ভাবে বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে তাঁরা খোঁজ নিচ্ছেন কেউ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন কিনা।

এদিনের এই স্যানিটাইজ অভিযানে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে পরিতোষ রায়, মদন চন্দ্র দাস এবং প্রশান্ত রায় সহ অনেকে। এই এলাকার কর্মীদের কাজে সহযোগিতা সহ উদ্যোগী করেছেন পাটছড়া গ্ৰাম পঞ্চায়েতের কার্যনির্বাহী আধিকারিক হিমাংশু দাস। গ্ৰামীণ সম্পদ কর্মীর সুপার তুষার রায় জানান ‘ গ্ৰামের সবাই সুস্থ্য ও স্বাভাবিক থাকুক, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে এই প্রচেষ্টা।’ সম্প্রতি ভীন রাজ্যে ফেরত ব্যক্তিদের জন্য তারা সাহেরহাট হাই স্কুলে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার ও বানানোর আশাও প্রকাশ করেছেন এদিন।

জেলার প্রতিটি ব্লকের প্রতিটি পঞ্চায়েতে গ্রামীণ সম্পদ কর্মী কাজ করেন। প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় গড়ে ১৫ জন করে এমন কর্মী আছেন।

অনেকে নিজেরা উদ্যোগী হয়ে কাপড়ের মাস্ক পরছেন বটে তবে তা যে যথেষ্ট নয় সেকথা বুঝতে পারছেন সচেতন গ্রামবাসীরা।

ভিডিওটি দেখতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন :