অস্বাভাবিক ভাবেই মৃত্যুর সামনে থেকে ফিরে এলেন আর এক বাবলু

সংবাদদাতা মালোবিকা বিশ্বাস, কলকাতা

আয়ুষ রায় দ্বারা সম্পাদিত

পুলওয়ামা হামলার সংবাদ পেয়ে সিআরপিএফ জাওয়ান বাবলু দাস এর কোন খবর না পাওয়ায় তাঁর পরিবার অস্থির হয়ে পড়ে। স্ত্রী সুপর্ণাদিবীর দুশ্চিন্তা বাড়তেই থাকে এবং দুই সন্তান বাবার একটা খবর আসার অপেক্ষা করতে থাকে। প্রতিবেশীরাও ছিলেন পরিবারের পাশে। বারংবার ফোনে চেষ্টা করার পরও লাইন পাননি সুপর্ণাদেবী। অবশেষে মধ্য রাতে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেন তাঁর স্ত্রী । হঠাৎ ফোন আসে সিআরপিএফ জাওয়ান বাবলু দাস-এর ওপার থেকে শোনা যায় “আমি ঠিক আছি চিন্তা করো না”। এই খবরটা স্ত্রী চিৎকার করে বলতে গিয়ে আঁতকে ওঠে তখনই তার মনে পড়ে যায় সেই জাওয়ানদের কথা যারা এই হামলায় মৃত।

কাছাড় জেলার বুধুরাইল গ্রামের বাসিন্দারা পাঁচ দিন পর এক শোকসভার আয়োজন করেন সেখানেই সুপর্ণাদেবী যান ছেলে-মেয়ে সহ।তিনি বলেন ১৪ বছর ধরে তার স্বামী রয়েছে সিআরপিএফে এমন ঘটনার মুখোমুখি এর আগে হতে হয়নি তাদের।

যে গাড়ি গুলি বিস্ফোরণে উড়ে যায় তার একটাতেই বসার কথা ছিল বাবলু দাস এর। হঠাৎ তিনি ফেলে আসা জলের বোতলটা আনতে বাস থেকে নামেন পরে বাসে উঠতেই দেখেন তার বসার জায়গায় অন্য এক জাওয়ান বসে আছেন তখনই বাবলু পিছনে অন্য একটি বাসে গিয়ে বসেন।

কথায় আছে, “জলই জীবন” এক বোতল জল বাবলু দাস কে ফিরিয়ে দিল তার পরিবারের হাতে প্রতিবেশীরা সবাই বলে উঠেন বড় ভাগ্যবান তোমরা।