সরকারি চাকরি যখন দুর্লভ তখন আই টি সেক্টরই একমাত্র ভরসা !

মিতা ঘোষ:-

বেচে থাকার জন্য তো একটা কাজ চাই। কোলকাতার বুকে সদজাত মাথা চারা দিয়ে ওঠা কল সেন্টার, আই টি সেক্টর তখন খাবার জোগায়। একবার ভাবুন তো যদি এই অফিস গুলো না থাকত তাহলে এই মানুষ গুলোর কি হত?

একটু ঘুরে দেখলে দেখা যায় এই অফিস গুলো মুলত কোলকাতাতে। সেন্টল কোলকাতার অফিস গুলো একটু পুরাতন হলেও তবে সল্টলেক সেক্টর ৫ এর অফিস গুলো কিন্তু একে বারে নতুন। তবে শোনা যায় এই সেক্টর ৫ নাকি আগে চাষের জমি ছিল এমনই বললেন এলাকার বাসিন্দা নবিনা মাঝি। আর এখন সেই চাষের জমিকে কেন্দ্র করে আশে পাশের মানুষ গুলো দূপয়সা কামিয়ে নিচ্ছে তারাও। কিন্তু সমস্যায় পড়ে এই গ্রামের ছেলে মেয়ে গুলো যখন সরকারি চাকরির জন্য চেষ্টা করে ক্লান্ত হয়ে শহরে আসে একটা চাকরির আসায় তখন তাকে অনেক ভাবে নাজেহাল হতে হয়।ইন্টারভিউ ঘরে প্রথম প্রশ্ন ত এটাই হয় তোমার পক্ষে এই চাকরি করা সম্ভব নয় এতদুর থেকে, এই বলে কাউকে আবার বাতিলও করে দেওয়া হয়। কি অবস্থা বলুন এদিকে সরকার দেয়না চাকরি আবার ওদিকে ঘরের অভাবে কোম্পানি গুলো দেয় না চাকরি। এমন সময় এই গ্রাম থেকে আসা ছেলে মেয়ে দের শুভাকাঙ্ক্ষী হয়ে উঠলো সেক্টর ৫ এর এক সময় না খেতে পাওয়া মানুষ গুলো, তারা গ্রাম থেকে আসা ছেলে মেয়ে দের তাদের বাড়িতে আশ্রয় দিয়ে।

এই বিষয়ে আই টি সেক্টর কাজ করে এক ব্যক্তিকে প্রশ্ন করা হয় বাইরে থেকে কোলকাতাতে কাজ করতে এসে কোন অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয়নি ? তার উত্তর ছিল অনেক স্মস্যার স্মমুখিন হতে হয়। থাকার জায়গার অভাব জাও বা দু – একটা ঘর মেলে সেখানে একা থাকা অসম্ভব যা টাকা পাওয়া যায় তাতে। আবার অন্যদিকে রুম শেয়ার করতে গিয়েও হতে হয় অনেক সমস্যার সম্মুখীন, কেউ বলে রাতে ত ঠিক মতো ঘুম হয়না আবার কেউ বলে টাকা পয়সা চুরি হয়ে যায় একটু বেসামাল হলে। আবার অন্যদিকে বারিয়ালার উপদ্রবও আছে। টাকা দিতে একটু দেরি হলে আসে রুম ছেড়ে দেওয়ার হুমকি আবার অন্যদিকে কোম্পানি গুলো ১  তারিখের বদলে মাসের পনেরো তারিখও হয়ে যায় টাকা পেতে। কেউ ত বললেন এ মাসের টাকা পায় পরের মাসে গিয়ে আর এই ভাবে কেটে য়াচেছ “বিকারহীন ” ছেলে গুলো কিন্তু তাদের চাকরির কোন নিরাপত্তা নেয়।