*অস্টিওপোরোসিস কী এবং কেন হয়?*

শর্মিষ্ঠা দত্ত:-

অস্টিওপোরোসিস হল এমন একটি রোগ যা বয়স বৃদ্ধির সংগে সংগে হাড় সরু হয়ে যায়। এই রোগটি মূলত ক্যালসিয়ামের অভাবেই হয়ে থাকে। তবে বলা বাহুল্য এখন এই রোগ ভিটামিন ডি এর অভাবেও হয়ে থাকে। হাড়গুলো দূর্বল হয়ে যায়। যতক্ষন না পর্যন্ত্য একটি ছোটো আঘাতে তারা ভাঙে। প্রথম পর্বে অস্টিওপোরোসিস চিহ্নিত করা খুব কঠিন। এননকি প্রথম আঘাতে প্রায়ই এই রোগটি আস্তে আস্তে এবং নিঃশব্দে হাড়ের ক্ষতি করে। বয়সকালে পিঠের শিরদাঁড়া বা হাতের কবজি ভেঙে যাওয়া অস্টিওপোরোসিসের কারণ হতে পারে।

IMG-20190419-WA0007

ডাঃ কাজল ঘোষাল এর মতবাদ অনুযায়ী, *অস্টিওপোরোসিসের সাধারণ লক্ষনগুলি হল*-
১. হাতের বাহু বা কবজিতে ব্যাথা।
২. পিঠে অল্প ব্যাথা/ ঘাড়ে ব্যাথা।
৩. উচ্চতার বৃদ্ধি বন্ধ হওয়া এবং কখনও কখনও না পড়ে গিয়েও কবজি বা শিরদাঁড়া ভেঙে যেতে পারে।
জনগণনায় দেখা গেছে যে, ২৫–৩০ শতাংশ মহিলাদের অস্টিওপোরোসিসের কারণে হাড় ভাংগে। এবং মহিলারা মূলত ৭৫ বছর বয়সের পর অস্টিওপোরোসিসের স্বীকার হয়।
*অস্টিওপোরোসিস নিরাময়ের দিকগুলি হল*-
১. ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি গ্রহন।
২. ক্যালসিয়ামের উৎস ডেয়ারী দ্রব্য যথা দুধ, বীজ, শাক-সব্জী, নারকেল এবং সামুদ্রিক মাছ।
৩. সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন ১৫ মিনিট সূর্যের আলোয় থাকলে দেহে ভিটামিন ডি উৎপন্ন হয়।
৪. প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে হাটা।
৫. ওজন কমানো, শারিরীক ব্যায়াম হাড়কে শক্ত করতে সাহায্য করে।
এখন হোমিওপ্যাথি চিকিত্সায় এই রোগ অনেকটাই কমে। এবং হোমিওপ্যাথির উন্নত চিকিত্সায় অনেক জটিল রোগ ও নিরাময় হয়।