বসন্তের রঙিন দিনে

আয়ুষ রায়

নীল দিগন্ত বাতাসে ভাসিয়ে দেয় বার্তা, এলো ঋতুরাজ বসন্ত। পলাশ লালে যেন বনে দেখায় আগুন। নানান ফুলের বাহার প্রকৃতিকে সাজিয়ে রাখে। কবির কলমে তাই, ‘আজ দখিণ দুয়ার খোলা, এস হে…..’। মানুষ আর চুপ থাকে না,খুশির রঙে মেতে আবির ছড়ায় ভারতীয় সমাজ।আনন্দ,তবু সাবধান থাকা দরকার। রং খেলার পর যেন বিষাদের সুর না বাজে, খেয়াল রাখতে হবে।

রং খেলা বা মাখা খুব ক্ষতিকর । রঙে মার্কারি থেকে শুরু করে রাসায়নিক পদার্থ মেশানো হয়। যা শরীরের চামড়া, চোখ, জিভ, মুখের ভেতর, পেট সবেতে রঙ গেলে ভয়ানক ভুল হতে পারে। আবিরও ভাল না। যাদের এলার্জি আছে, শ্বাসকষ্ট আছে, তাদেরও আবির চলবেনা।

শিশুরা রং না মাখলে ভাল। তবু সবার জন্য বলা ভাল, ভেষজ রং বাড়িতে বানিয়ে নিন। নানান শাকপাতা, বিট, চা পাতা, পলাশ ফুল, গাঁদা, নানান ফুল, মেহেন্দি পাতা, হলুদ বাটা, ময়দা, দুধ আগে ভিজিয়ে রেখে বেটে রস
বারকরে রং হিসাবে ব্যাবহার করা যায়।

রং খেলার আগে মাথা,সারাগায়ে তেল মাখতে হবে। যাতে পরে আনায়াসে রং উঠে যায়।

গরু, ছাগল, কুকুর, বেড়াল, পশুপাখিদের গায়ে রং দেওয়া উচিত না। রঙে বাতাস, নদীর জল দুষিত হয়। তাই আনন্দ করুন ভেবে।