বস্ত্র মন্ত্রকের উদ্যোগে পাটচাষীদের জন্য প্রমাণিত পাট বীজের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জনসংযোগ সচেতনতামূলক কর্মসূচি শুরু হতে চলেছে


নিজস্ব প্রতিনিধি ; কলকাতা:
বস্ত্রমন্ত্রী গত ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রমাণিত বীজ বিতরণের প্রকল্পের উদ্বোধনের ধারা বজায় রেখে, ভারত সরকারের বস্ত্র মন্ত্রালয়ের তত্ত্বাবধানে, জুট কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (জেসিআই) পশ্চিমবঙ্গের এগারোটি জেলায় ৫-৩১ মার্চ পর্যন্ত প্রমাণিত বীজ বন্টন এবং কৃষিক্ষেত্রের সচেতনতার জন্য মোট ৭0 টি শিবির করবে। এই জেলাগুলি হল কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি এবং পূর্ব মেদিনীপুর।

বাজারে নকল পাট বীজের ঝুঁকি মোকাবিলায় ভারত সরকার উচ্চ ফলনের প্রমাণিত বীজের সহজলভ্যতা বৃদ্ধির জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে। বস্ত্র মন্ত্রকের আওতাধীন জুট কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (জেসিআই), জাতীয় বীজ কর্পোরেশনের সঙ্গে ১০০০ মেট্রিক টন জেআরও -২০৪ জাতের প্রমাণিত পাট বীজের বন্টনের জন্য একটি সমঝোতা স্বাক্ষর করেছে। ২০২১ সালের মার্চ মাসের প্রথমদিক থেকে শুরু করে সমস্ত পাট উৎপাদনকারী রাজ্যগুলিতে বাণিজ্যিকভাবে বিতরণ করা হবে। প্রমাণিত বীজের গুণমান ও প্রাপ্যতা সম্পর্কে পাটচাষীদের সচেতন করতে এই সচেতনতা শিবিরগুলি পরিচালনা করা হবে। এই প্রয়াসটি দেশের মোট বার্ষিক পাট বীজের চাহিদার (৪৫00 টন) প্রায় ২২.৫% পূরণ করবে।

বাজারে অপ্রমাণিত বীজের জাতের তুলনায়, প্রমাণিত বীজের ব্যবহারে ফলন ২০-২৫% বৃদ্ধি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাট চাষীদের ভাল ফলনের জন্য কেবলমাত্র প্রমাণিত বীজ ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রমাণিত জুটবীজ জেসিআই এর সচেতনতা শিবির, ক্রয়কেন্দ্রগুলির পাশাপাশি বীজের খুচরো দোকানগুলি থেকেও পাওয়া যাবে বলে জে সি আই সূত্রে শুক্রবার কলকাতায় জানান হয়।