কাজে ঢিলেমি চলবেনা : মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদদাতা ; কলকাতা :

কোভিদ নিয়ে কোন শিথিলতা যেন না হয়। পুজোতে সতর্ক থাকতে হবে। সব সময় মাস্ক পরে চলাফেরা করুন নিজেকে সতর্ক রাখুন। পজিটিভ হলে নজরে রাখতে হবে। মঙ্গলবার খড়্গপুরে প্রশাসনিক সভায় এভাবেই করোনা নিয়ে সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তিনি পূজা কমিটি গুলির কাছেও অনুরোধ করেন তারা যেন করোনা নিয়ে প্রচার করেন। করণা আবহে প্রায় সাত মাস জেলা সফর বন্ধ থাকার পর উত্তরবঙ্গ সফর দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জেলা সফর শুরু করেছেন। গত সপ্তাহে উত্তরবঙ্গ সফরের পর মঙ্গলবার তিনি দুদিনের জন্য মেদিনীপুর জেলা সফরে আসেন। এদিন খড়্গপুরে এসে জেলাশাসক পুলিশ সুপার সহ প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী কল্পতরু বলেন তপশিলি জাতিদের ৬০ পেরোলেই পেনশন দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রশাসনিক কর্তাদের নির্দেশ দেন কোন পেনশন যাতে পড়ে না থাকে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন লোধা এবং শবরদের বাংলা আবাস যোজনা প্রকল্পে বাড়ি করে দেয়া হবে। তিনি বলেন স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে যুক্ত করা হবে তাদের। আমাদের স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প রয়েছে। কেন্দ্র যদি চায় তাহলে আয়ুষ্মান প্রকল্প করুক পুরো টাকা কেন্দ্র দিক। হাতির হানায় কোন পরিবারের কেউ মারা গেলে সেই পরিবারের একজনকে বিশেষ হোম গার্ডের চাকরি দেওয়া হবে। এদিন তিনি খড়গপুর শিল্প তালুকের ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেন। তিনি বলেন শিল্প তালুকে স্থানীয়দের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। প্রশাসনিক কর্তাদের বলেন সবুজ সাথী সাইকেল যেন যথাযথ পায়। তিনি বলেন ১০০ দিনের কাজ ভালো হয়েছে। ১০০ দিনের কাজে ২০ হাজারের বেশি পরিযায়ী শ্রমিককে যুক্ত করা হয়েছে। তাদের জব কার্ড দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন কাজে ঢিলেমি করা চলবে না। স্টেডিয়ামে কাজ দ্রুত করতে হবে। রাস্তার কাজ দ্রুত করতে হবে। কোন কাজ টেন্ডার ছাড়া করা যাবে না। এবং কোন টেন্ডার ফেলে রাখা চলবে না। এদিন তিনি কেলেঘাই নদী নিয়ে সরব হন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন প্রতি বছরই কেলেঘাই নদী প্লাবিত হয়। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রকে বহুবার বলা হয়েছে। আমরা যতটা পারি করার চেষ্টা করি। কেন্দ্র জিএসটির টাকা দিচ্ছে না। দশ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে কুপনে রেশন দিচ্ছি। জুন মাস পর্যন্ত দেওয়া হবে। তিনি জানান শুনেছি অনেক রাজ্যে বেতন কেটে নেওয়া হচ্ছে। আমরা কর্মচারীদের পুরো বেতন দিচ্ছি।