পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও বিত্তনিগম

নিজস্ব সংবাদদাতা ; কলকাতা

জীবনে কোনও দিন স্কুলে যাননি।
বলা ভালো তাঁর বাসস্থানের দ্বীপে স্কুলই ছিল না ১৯৫০ সাল পর্যন্ত। তবুও সব কিছু গভীর ভাবে দেখেছেন পর্যবেক্ষণ করেছেন আর তা দিয়েই একই সঙ্গে ১৮টি ভাষায় অনর্গল কথা বলতে শিখেছেন। একই সঙ্গে জীববিজ্ঞান, মহাকাশ গবেষণা, নিজের তৈরি মোপেড শুধু তৈরি করাই না, তার পেটেন্টও আদায় করে নিয়েছে এম আলি মাণিকফান। বৃহস্পতিবার মিলন উৎসবের চতুর্থ দিনে সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও বিত্তনিগম তাকে মিলন উৎসবে সম্বর্ধিত করল। হাজির ছিলেন, আস্ট্রেলিয়ার কন্সাল জেনারেন, বৃটিশ ডেপুটি হাই কমিশনার, নিগমের চেয়ারম্যান পি বি সেলিম।
এই দিন আলি মণিকফান বলেন, রিসোর্স না থাকলে শিক্ষা হয় না, কাজ করা যায় না এটি আমি মানতে রাজি না। জীবনে সফল হতে হলে সব কিছুকে গভীর ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।ধৈর্য ধরয়ে হবে। নিজের জীবনের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, জল জাহাজে যাব বলে কলকাতায় ট্রনিং নিতে এসে মাস খানেক অপেক্ষা করতে হয়েছিল। তখন ঠিক করি ফ্রেঞ্চ শিখব। কলকাতার সব দোকান ঘুরেও বই পাইনি। তাই উচ্চারণ শিখতে মাসের পর মাস অপেক্ষা করেছি।
এই ভাবে লাক্ষাদ্বীপে যে দেশ থেকে জাহাজ এসেছে সেই দেশের মানুষের কাছ থেকে ভাষা শিখেছি। একই ভাবে জীবন বিজ্ঞান শিখেছি সমুদ্র দেখে। প্রসঙ্গত তিনি সমুদ্রে বাস করা ৪০০ প্রজাতির মাছ চিহ্নিত করেছেন। আবিষ্কার করেছেন নতুন একটি মাছে, যার নামকরণ হয়েছে আলি মাণিকফানের নামে। তিনি একটি আস্ত জাহাজ তৈরি করেছে কোনও ধাতু ব্যবহার না করেই। এমনকি একটি পেরেকও ব্যবহার করেননি। তাঁর কথা খাদ্যের পিছনে ছুটে বেড়ালে হবে না।সব কিছু গভীর পর্যবেক্ষণ করে তার সুষ্ঠু প্রয়োগ করতে পারলে আহারের অভাব হবে না।