“মৃতদেহ গোনা আমাদের কাজ নয়’ – জানালেন বিএস ধানোয়া”

হেমাশ্রী বিশ্বাস,  কলকাতা:

গত ২৬ শে ফেব্রুয়ারী সীমান্ত পেরিয়ে পাক অধ্যুষিত কাশ্মীরের বালাকোটে হামলা চালিয়েছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। এই সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালিয়ে জইশের মূল কন্ট্রোল রুম সহ অন‍্যান‍্য জঙ্গি ঘাঁটি উড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা। ৩০০ জঙ্গিকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি ভারতীয় সরকারের তরফে।

সূত্র মারফত খবর ৩০০ মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সক্রিয় ছিল হামলার আগের দিন। ওই এলাকায় সার্জিক্যাল স্ট্রাইক এর এক সপ্তাহ পর ৩০০টি নেটওয়ার্ক নিষ্ক্রিয় বলে প্রমান মিলেছে (এন টি আর) মারফত। এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে ন্যাশনাল টেকনিক্যাল রিসার্চ অর্গানাইজেশন (এন টি আর)।

IMG-20190305-WA0009

সন্ত্রাস দমন অভিযানে ঠিক কত জন জঙ্গি মারা হয়েছে সেই সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক পাকিস্তান, ভারত তথা সমগ্র বিশ্বের দরবারে।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ভোর রাতে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক এর পর থেকে সংবাদ-মাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা অভিযানে অন্তত তিনশ জঙ্গি নিহত হয়েছে, কিন্তু এ খবর নিয়ে বিভিন্ন মহলে ইতিমধ্যে বিতর্কের ঝড় তুলেছে কেন্দ্র-বিরোধী দল গুলি। সার্জিক্যাল স্ট্রাইক এর পরদিন এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে বহু সংখ্যক জঙ্গির বিনাশ হয়েছে।

ভারতের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছিল যে বালাকোটে আগে থেকেই কয়েকটি জঙ্গী ঘাঁটির খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল ২৫ ফেব্রুয়ারি,  সেখানে প্রায় ৩০০ সক্রিয় মোবাইল ফোন উপস্থিতির কথা জানতে পারে দি ন্যাশনাল টেকনিক্যাল রিসার্চ অর্গানাইজেসন, তারপরই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে অনুমতিতে ভারতীয় বায়ুসেনার তরফ থেকে হামলা চালানো হয়।

IMG-20190305-WA0008

উল্লেখ্য বালাকোটে বিমান হানার পরে বিভিন্ন মহল থেকে নানা রকমের গুঞ্জন শুরু হয়েছে, কত জনের মৃত্যু হয়েছে সেই নিয়ে এক এক পক্ষ থেকে এক এক রকমের দাবি তুলেছে সবাই। আর বিরোধীদের কেউ কেউ বিমান হামলার প্রমাণ প্রকাশ্যে আনার দাবিও করেছে, এসবের মধ্যে সোমবার বায়ু সেনার প্রধান বিএস ধানুয়া একটি সাংবাদিক বৈঠকে বলেন ‘ মৃতদেহ গোনা তাদের কাজ নয়,তাদের কাজ শুধু লক্ষ্যে আঘাত হানা’।