সর্বরোগ নিবারণী

আয়ুষ রায়, কলকাতা :

শীত বিদায় নিয়েছে অবশেষে, ফাল্গুণের রং-হাওয়া প্রকৃতিতে ছোঁয়া লেগেছে। এসময় বাতাসে নানান ভাইরাস ঘোরে, যা থেকে নানান রোগ সৃষ্টি হয় মানবদেহে হাম, বসন্ত রোগ। এসব রোগ প্রতিরোধ করার কিছু ভেষজ গাছ প্রকৃতির কোলে জন্মায়। যেমন নিম গাছের কচি পাতা এক গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ।
images (9)
বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঔষধি গুণসম্পন্ন গাছ জন্মস্থান ভারতবর্ষ। সেকারণে নিমগাছের মত উপকারী গাছেরও জন্ম ভারতে। তাছাড়াও বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ অঞ্চলেও নিমের দেখা মেলে। নিমের বৈজ্ঞানিক নাম “Azadirachta indica”।
images (10)
প্রধানত শীতপ্রধান জলবায়ুতে নিম জন্মায় না। বহু প্রাচীন লিপি থেকে জানা যায়, ঔষধি গুণাগুনণের জন্য নিম গাছের ছাল, পাতা, ফুল, বীজ, অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ, এর ব্যবহারভিত্তিক তথ্য। ব্রিটিশ পুরাতত্ত্ববিদগণ হরপ্পা ও মহেঞ্জোদাড়ো সভ্যতায় নিমের ব্যবহারের ভেষজের ভান্ডারের সন্ধান পান ১৯২২ সালে। নিমের সর্বাঙ্গ ও তেল সারা বিশ্বে ভেষজ গুণের জন্য আদরনীয় চিকিৎসায়। কারণ, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, পরজীবীনাশক হিসাবে নিমের ভূমিকা শ্রেষ্ঠ। বেদের ভাষায় ‘সর্বরোগ নিবারণী’ নিম গাছ। Antiseptic ও জীবাণু প্রতিরোধক গুণের জন্য বসন্তকালে ও গরমকালে নিমের কচিপাতা খাবার প্রয়োজন।
images (12)
প্রমাণিত, নিম থেকে কমপক্ষে ১৪০ রকমের উপকারী, রাসায়নিক পাওয়া গেছে। সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন বি ১, বি ২, বি ৩, ভিটামিন – সি, ক্যারোটিন যুক্ত। কার্বন – ডাই – অক্সাইড শোষণ করে পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখে।
“ইউ ন্যাশনাল একাডেমিক অফ সায়েন্সের তথ্য – ‘এ ট্রি অব সলভিং গ্লোবাল প্রবলেম’ ।