পুলত্তয়ামা হামলার প্রতিশোধ-“জইশের কন্ট্রোল রুম সহ একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি নাশ”

হেমাশ্রী বিশ্বাস কলকাতা

পুলত্তয়ামা আক্রমনের ঠিক ১২ দিনের মধ্যেই ভারতীয় বায়ুসেনার প্রথম প্রতিশোধ। ১৪ ফেব্রুয়ারি যখন গোটা পৃথিবীতে ভালোবাসা দিবসের ভালোবাসা আদান প্রদানের আমেজে ভাসছে সকলে লাল গোলাপে, ঠিক সেই দিন দুপুরে কাশ্মীরের শ্রীনগরের কাছে পুলত্তয়ামাতে জইশই মহম্মদ প্ররোচিত ৩০০ কেজি আত্মঘাতী বোমা হামলায় শহীদ হয় ভারতীয় ৪২টিরও বেশী তাজা প্রাণ। তারপর গোটা দেশ ফুঁসছে প্রতিশোধের আগুনে।
IMG-20190226-WA0004

পুলত্তয়ামা হামলার পর ভারত সরকারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ সেনার হাতে কাশ্মীরের দায়িত্ব তুলে দেওয়া, এবং পুলত্তয়ামা হামলার ঠিক বারো দিনের মাথায় ভারতীয় বায়ুসেনার তৎপরতায় মঙ্গলবার ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ নিয়ন্ত্রণ সীমার বাইরে থাকা পাকিস্তানে ঢুকে একের পর এক জঙ্গি ঘাঁটি উড়িয়ে দেয় ভারতীয় সেনা।
IMG-20190226-WA0003
IMG-20190226-WA0002

(এ এন আই) সূত্র মারফত জানা গিয়েছে ১০০ শতাংশ সফল হয়েছে এই সার্জিক্যাল স্ট্রাইক। মিরাজ ২০০০ এর ১২টি যুদ্ধ বিমান ব‍্যবহার করা হয়েছে এই অপারেশনে, এবং তার সঙ্গে ১০০০ কেজি বিষ্ফোরক। প্রথমে যুদ্ধবিমান নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে মুজফারবাদে ঢুকে পড়ে, এবং মুজফরবাদে পাক অধিকৃত বালাকোটে ভয়ংকর বিষ্ফোরণ হয়। সূত্র মারফত খবর, জইশের কন্ট্রোল রুম জইশে মহম্মদের মূল ঘাঁটি ‘আলফা-থ্রি’ সহ অন‍্যান‍্য ঘাঁটি গুলি ধ্বংস করা হয়, তারপর কোনও রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই ভারতে ফিরে আসে বায়ুসেনা।
IMG-20190226-WA0001

এই প্রসঙ্গে পাক জেনারেল আসিফ গাফুরের দাবী পাক অধিকৃত বালাকোটে ঢুকে পড়ে যুদ্ধ বিমানটি, পরে পাকিস্তানের পাল্টা জবাবে ভারতে ফিরে আসে যুদ্ধবিমানটি।
IMG-20190226-WA0000

গোটা দেশ প্রতিবাদের আগুনে ফুঁসছে। উল্লেখ্য পুলত্তয়ামা কান্ডের পর, তার উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বিবৃতিতে বলেছিলেন শহীদের রক্ত ব‍্যর্থ হতে দেবেন না। সেটি প্রমাণিত হল, এবং তারই নিদর্শন এই সার্জিক্যাল স্ট্রাইক।