সমাজের প্রতিচ্ছবি না হয় বদলেই যাক না

 

মৌসুমী সাহাঃ-   বন‍্যেরা বনে সুন্দর শিশু রা মাতৃক্রোড়ে। কিন্তু সেই কোলই যদি কেড়ে নেওয়া হয় তাহলে কি শিশু টি অসহায় হয়ে যাবে না। মায়ের থেকে নিরাপত্তা কে দেবে বেশী। শিশু টি মায়ের কোল ছেড়ে যখন সমাজের কোলে আশ্রয় নেয় তখন সে যদি সুস্থ সুন্দর একটি সমাজ উপহার পায় তাহলে অবশ্যই সেও সুন্দর মানসিক গঠনের অধিকারী হবে।

তার বদলে শিশুটি উপহার পাচ্ছে আয়ার কোল, সুন্দর নয় কলুষিত সমাজ‌। সংসার সমাজ তার সরল মন নিয়ে অহর্নিশি খেলা করছে। বাচ্চাদের কান্না থামাতে হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে টিভি চ্যানেলের কার্টুন ফিল্ম অথবা মোবাইল।

এই ভাবে বুঝে না বুঝেই অন্ধকারের দিকে পা বাড়ায়। আসলে শিশু মনের জিজ্ঞাসা, তাদের কৌতূহল অনেক বেশি।সংসার, সমাজের সমস্ত খূঁটিনাটি জেনে নিতে চায়।আর সেই প্রশ্নের উত্তর পেতে বড়দের সাহায্য চায়। কিন্তু ছোট বলে বড়রা অনাদরে দূরে ঠেলে দেয়।

বড়দের অনাদর আর নিজেদের কৌতুহল এক হয়ে তৈরী হয় এক বিকৃত মনের। ঝুঁকে পড়ে প্রানের বন্ধু মোবাইল ফোনের দিকে। যে সব পথের দিশারী। যে প্রশ্নের উত্তর বড়রা এড়িয়ে যান সেই উত্তর দেবে ঐ যাদুকর। শুধু পর্ন ভিডিও দেখলেতো চলবে না। তা যে হাতে কলমে বুঝে নিতে হবে হোক না ছোট বয়স তাতে কী?

সমাজের এই প্রতি চ্ছবি দেখবেন বলেইতো বিদ‍্যাসাগর, রামমোহনরা প্রাণপাত করে ছিলেন। যে প্রশ্নের উত্তর ওরা মোবাইল ফোনে খুঁজে পেতে চায় সেই উত্তর দিতে ম বাবা আত্মীয় স্বজন শিক্ষক সমাজ যদি সবাই মিলে পাশে দাঁড়ানো যায় তা সে যে প্রশ্নই হোক না কেন।

ফুল অকালে ঝরে গেলে আগামী প্রজন্মকে বহন করে কে নিয়ে যাবে? খোলা মেলা পোশাক নয় মনকে খোলা রাখার নির্দেশ দিন। সমাজের অবক্ষয়টা যদি তাতে আটকানো যায়।

নেশা গ্রস্থ শিশুটির হাতে ভাল বেসে গোয়েন্দা কাহিনী তুলে দিয়ে দেখুন না কি হয়। বন্ধু হয়ে থাকুন না পাশে। না হয় বুঝিয়ে দিলেন কিভাবে নতুন শিশু জন্ম নেয় তার পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব।