শীর্ষ ব‍্যঙ্কের টাকার হিসেব নিয়ে কটাক্ষ চিদম্বরমের

হেমাশ্রী বিশ্বাস, কলকাতা

ভোটের আগে মোদী সরকারের দিকে আসছে একের পর এক ‘তোপ’। কখনও রিজার্ভ ব‍্যঙ্কের ভাঁড়েরে সঞ্চিত টাকার ভাগ পাওয়ার দাবি নিয়ে, কখনও নোটবন্দি প্রসঙ্গে আবার কখনও রিজার্ভ ব‍্যঙ্কের সঙ্গে কাজিয়াকে লক্ষ করে। সম্প্রতি কেন্দ্র দাবি করেছিল, শীর্ষ ব‍্যঙ্ককে আদৌ ৩.৬ লক্ষ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে দেওয়ার কথা বলেনি দিল্লি। রিজার্ভ ব‍্যাঙ্কের ভাঁড়েরে সঞ্চিত টাকার কতটা সরকারি কোষাগারে পাঠানো উচিত, শুধু সেই নিয়মে বদল চেয়েছে।

রবিবার এই প্রসঙ্গেই সরকারকে তীব্র ভাবে বিঁধেছেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম। তিনি বলেন সরকারের মেয়াদ সম্পূর্ণ হতে আর মাত্র চার মাস। বর্তমান অর্থবর্ষে টাকার দরকার যদি আর না থাকে তাহলে এখনই কেন ওই বিধি বদলের জন‍্য তাড়াহুড়ো করছে তারা? বিশেষ করে গত ৪বছর ৬ মাসে যখন তা করা হল না। সেটাই কংগ্রেস নেতা তার টুইটের মাধ্যমে সেটাই উগরে দিয়েছেন। সরকারের হিসেবে খামতি না থাকার দাবি করলেও, আসলে বিপদে পড়ে এ ভাবেই টাকার জন্য চাপ তৈরি করছে তারা।

এদিকে প্রাক্তন রিজার্ভ ব‍্যঙ্ক গভর্নর রঘুরাম রাজনের পরে এবার একের পর এক নোটবন্দির যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অর্থনীতিবিদ কৌশিক বসুও তিনি বলেন, জাল নোট ধরতে নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত অর্থহীন। তিনি বলেন, জাল নোট অর্থনীতির ক্ষতি করে। কিন্তু যখন সেগুলি আর্থিক ব‍্যবস্থায় ঢোকে, ঠিক তখনই কেউ জাল নোট ছাপায় ও সেটা কাজে লাগায় জিনিসপত্র, সোনা ও সম্পত্তি কিনতে। তার হঠাৎ জাল নোট ধরতে আচমকা অর্থনৈতিক ব‍্যবস্থার গতিকে রুদ্ধ করার কোনো যুক্তি নেই।

এদিকে নোটবন্দির দু’বছর পূর্তিতে মোদী সরকার তার সাফল্য জাহিরে ব‍্যস্ত হলেও দিন দুই আগে রাজন একই অভিযোগ তুলে বলেন, ওই হঠকারী সিদ্ধান্ত জিএসটি চালুর জন‍্য ডুবেছে অর্থনীতি।