রোহিঙ্গা ইস্যু ও বর্তমান অবস্থা।

 

 

পৃথিবীর বঞ্চিত নিপীড়িত শোষিত লাঞ্ছিত অপমানিত জাতির মধ্যে রোহিঙ্গাদের নাম এই মূহুর্তে সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য৷একটা জাতি বংশ পরম্পরায় নির্দিষ্ট ভূখন্ডে বসবাস করে আসছে৷যেটাকে মাতৃভূমি সমতুল্য জ্ঞানে তারা পূজা করে এসেছে৷শান্তি পুরষ্কার প্রাপ্তা রমনী সুকির হঠাৎ জঙ্গি তকমা তাদের সমস্থ কিছু চুরমার করে দেয়৷শুরু হয় জঙ্গি নিধনের নামে অমানবিক মধ্যযুগীয় বর্বরতা৷যেগুলি দেখলে মৃত্যুপথযাত্রী বৃদ্ধকেও প্রতিশোধ স্পৃহা জাগিয়ে তুলবে৷যে বৌদ্ধ ধর্মে জীবহত্যা মহা পাপ সেই ধর্মের অনুসারী ব্যাক্তিবর্গের এমন অত্যাচার দেখে স্বয়ং ভগবান বুদ্ধদেব ও চোখ বুজাবেন৷মানবতা আজ ভূলুন্ঠিত৷বিশ্ব বিবেক আজ তমশায় আচ্ছন্ন৷ভারত তথা প্রতিবেশি দেশ গুলির ভূমিকা অত্যন্ত নিন্দাজনক৷যে ভারত বিশ্বের দরবারে মানবতার দিক থেকে উচুঁতে অবস্থান করতো সেই ভারত এক লহমায় বৈপরীত্যে এখন অবস্থান করছে কোন এক অজ্ঞাত কারনে৷অতীতে শরনার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার রেকর্ড থাকলেও এবার অবস্থান বদল হয়েছে৷মায়ানমারের রাষট্র প্রধানের এত মুসলিম বিরোধিতার মূল কারন নাকি প্রেম ঘটিত৷ বিদেশে দর্শন শাস্ত্র পড়ার সময় পাকিস্থানের তারিক আনোয়ারের সাথে প্রেম এবং গভীরতা৷যদিও তা পূর্নতা পায় না তারিকের জন্য৷এক মাস বিরহ এবং বিষন্নতায় ছিলেন তিনি৷এ সময় একা একা থাকতেন তিনি৷ তার প্রতিফলন এভাবে মেটাবেন তিনি এটা কেউ ভাবতে পারেন নি৷আবার কারোর মতে রাখাইন অঞ্চলে খনিজসম্পদের প্রাচুর্য থাকায় তা খালি করার প্রয়োজন হয়ে পড়ে৷আবার কারোর মতে রাখাইন জাতির কিছু ভূল ছিল প্রথমতঃদ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মায়ানমার ইংরেজদের সমর্থন করলেও তারা জাপানকে সমর্থন করে৷১৯৭১ সালে বাংলাদেশ পাকিস্থানের যুদ্ধের সময় মায়ানমার বাংলাদেশ কে সমর্থন করলেও তারা ধর্মের জন্য পাকিস্থানকে সমর্থন করে৷যাই হোকনা কেন কোন কিছুর জন্য মানুষ হত্যা ঠিক নয়৷আমরা আশা করবো দ্রুত এ সমস্যার সমাধান৷এর জন্য শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষদেরকে এগিয়ে আসতে হবে৷যদিও তুরষ্ক তথা পৃথিবীর অন্যান্ন শান্তিকামি দেশ গুলি দেরিতে হলেও বোধোদয় হয়েছে৷আগামীতে তাদের দিকে তাকিয়ে আছে কয়েক লক্ষ রোহিঙ্গা বাসি৷