মহা অষ্টমী তে মহামায়ার আরাধনা।

সৃজিত মন্ডল : – আজ বুধবার মহা অষ্টমী। অকল্যাণের প্রতীক মহিষাসুর বধের চূড়ান্ত পর্যায়। দুর্গা দেবীর নবপত্রিকা প্রবেশ স্থাপন সপ্তম্যাদি কল্পারম্ভের মধ্য দিয়ে গতকালই শেষ হয়েছে সপ্তমী পূজা। শারদীয় দূর্গা উৎসবে অষ্টমী পূজা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ দিনে রীতি মেনে দেবী দূর্গাকে পুষ্পাঞ্জলী প্রদান করা হয়। বিধিসম্মতভাবে অষ্টমীবিহিত পূজা করে দেবী দূর্গার কৃপা প্রার্থনা করেন ভক্তরা। অষ্টমী তিথির পূজায় নয়টি পাত্রে বিভিন্ন রঙের পতাকা স্থাপন করা হয় যা দেবীর নয়টি শক্তিকে উৎসর্গ করে করা হয়। বেলা নটা নাগাদ থেকেই শুরু গেছে সন্ধি পুজো। দেবীকে মহালক্ষ্মী হিসেবে সম্পদ, স্থায়িত্বশীলতা, সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে পূজা করা হয়। সেই সঙ্গে মহা ধুমধামে সকালে বেলুড় মঠে সম্পন্ন হল কুমারী পুজো। শাস্ত্র মতে অষ্টমীতে দেবতাদের আবেদনে সাড়া দিয়ে পুনর্জন্মে কুমারী রূপ ধরেন মহাকালী। বধ করেন কোলাসুরকে। সেই থেকেই মর্ত্যে এই পুজোর সূচনা হয়। কুমারী মেয়ে প্রকৃতি বা নারী জাতির প্রতীক। সেকারণে কুমারী বা নারীতে দেবীভাব আরোপ করা হয়। আর এই কুমারী পূজাকে ঘিরে সকাল থেকেই সেজে উঠেছে বেলুড় মঠে। সারদা মায়ের উপস্থিতিতে স্বামী বিবেকানন্দ নিজে কুমারী কন্যাকে পুজো করেছিলেন। সেই থেকে চলে আসছে এই রীতি। এদিনের পুজোর জন্য নির্বাচিত হয়েছে কুমারী সালভিয়া মুখোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে যেটা না বললেই নয়, অনেক জায়গাতেই অঞ্জলি শেষ করে সকাল থেকেই শুরু হয়েছে পূজা পরিক্রমা। ভিড় জমতে শুরু করেছে, রোদ উপেক্ষা করেই। রাতে যে জনপ্লাবন ভাসতে চলেছে কলকাতা, সেটা এখন থেকেই বলে দেওয়া যায়।