বসন্ত এসে গেছে

 

তথাগত চট্টোপাধ্যায়
“কেউ বলে দখিণা কেউ বলে পলাশের মাস…” শীতের এবার ফেরার পালা। ফেব্রুয়ারির আকাশে এবার ভেসে বেড়াবে ফাগুন হাওয়া। কলেজ ক্যান্টিন থেকে ক্যাফেটেরিয়া, কিংবা বেনফিসের স্টল থেকে বইমেলা প্রেমের হাওয়া এবার বইতে শুরু করবে সর্বত্র। প্রেম নিবেদনের জন্য সারা বছর পড়ে থাকলেও বাঙালির কাছে ফেব্রুয়ারি কিন্তু “অফিশিয়ালি”প্রেমের মাস। ফেব্রুয়ারিতেই বাঙালির সরস্বতী পুজো। আবার এই ফেব্রুয়ারিতেই ধরা দেয় ভ্যালেন্টাইন’স ডে।

ধরুন বহুদিন ধরে ভালোলাগার মানুষটাকে আপনি হয়ত দেখে আসছেন। ভেবেওছেন “তার” সামনে আপনার মনের কথা একদিন বলেই ফেলবেন খোলাখুলি। কিন্তু বলতে গিয়েও সাহস করে আর এগোতে পারা যাচ্ছে না। এমন লুকোনো একতরফা প্রেম কিন্তু খুঁজলেই পাওয়া যায় অজস্র। আবার যাঁদের প্রেম সদ্য পা রেখেছে নতুন বছরে, ভ্যালেন্টাইন’স ডে বা সরস্বতী পুজো তাঁদের জন্য একেবারে সেরা সময়। সারাটা বছর সরস্বতী পুজোর জন্য অপেক্ষা করে থাকেন অনেকেই। পুজোর ঝলমলে সকালে অঞ্জলি দিয়ে প্রেম জোয়ারে গা ভাসিয়ে দেন প্রেমিক-প্রেমিকারা। গন্তব্য মাল্টিপ্লেক্স, রেস্তোরাঁ, নলবন, ভিক্টোরিয়া আরও কত কি!

একটা কথা বলা দরকার। ভ্যালেন্টাইন’স ডে কিন্তু সবার কাছে এক নয়। প্রেমের কোনো দিন থাকে না, আর তাই ভ্যালেন্টাইন’স ডে নামে কোনো নির্দিস্ট দিনে ভালবাসাকে বেঁধে রাখতে পছন্দ করেন না অনেকেই। অনেকের কাছে আবার ভালোবাসার দৃস্টিভঙ্গি একেবারেই অন্যরকম। প্রথাগত প্রেমের ছক ভেঙে অনেকেই নিজস্ব ভাবনায় তুলে ধরেন প্রেমের মানে। তাঁদের কাছে “ভালোবাসা আসলেতে পিটু্ইটারির খেলা; আমরা বোকারা বলি প্রেম/it’s a game!”