ধর্ষণ এক সামাজিক ব্যাধি।

সন্দিপ দেঃ-  বর্তমান সময়ে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ধর্ষন। প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার দৌলতে প্রতিনিয়ত চোখে পড়ে ধর্ষনের নানা ঘটনার খবর। গ্রামে কিংবা শহরে থেকে শুরু করে , বাড়িতে কিংবা রাস্তায়, অফিসে বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমনকি চলমান বাসে পর্যন্ত, ঘটে চলেছেএমন ন্যাক্কাড় জনক ঘটনা।
ধর্ষণ বলতে আমরা বুঝি কারো ইচ্ছার বিরুদ্ধে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে যৌন তৃপ্তি লাভ করা।একটু অন্যভাবে বললে যা দাঁড়ায় তা হলো কর্তার ইচ্ছায় কর্তীর অনিচ্ছায় জোরপূর্বক ঘর্ষনের ফলে সৃষ্ট বর্ষনই হলো ধর্ষণ।
সমাজে এরুপ অপরাধের মাত্রা দিনের পর দিন বেড়ে চলেছে।সমাজে চিল,শকুনরুপী পোষাক পরিহিত কালপীঠেরায় এই সমাজের আমাদের বাড়ীর মা,বোন থেকে শুরু করে পত্নীদেরও অপবিত্র,অশুচি করে তুলছে।
ধর্ষনের জন্য আরো যেসকল কারণকে দায়ী করা চলে তা হলো নৈতিকতার অবক্ষয়, নারীদের সচেতনতার অভাব, দোষী ব্যক্তিদের শাস্তি না দেয়া, পারিবারিক ও সামাজিক প্রতিরোধের অভাব, নারীর খোলামেলা ও আবেদনময়ী পোশাক পরিধান, নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশার সুযোগ, সন্তানে প্রতি পিতা-মাতার উদাসহীনতা ইত্যাদি। বর্তমানে ধর্ষণ একটি সামাজিক ব্যাধি। এটি কারো একার পক্ষে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয় এর জন্য গড়ে তুলতে হবে জনসচেতনতা।আর যেটা সর্বাঙ্গে প্রয়োজন তা হলো নৈতিকতার জাগরন। আবার অনেকে নিজ পরিবারেই ধর্ষিত হয়,এর পিছনে যা উঠে আসে তা হলো বিকৃত মানসিকতা।
ধর্ষনের উপরিউক্ত কারন ছাড়াও আর একটা
গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো আজকালকার অধিকাংশ মেয়েদের খোলামেলা পোশাক পরিধান। এতে করে বাড়ীর বাবা-মা রাও মেয়েদের কিছু বলে না, হয়তো তাঁরাই এসব পোশাক কিনে দেন।যদিও বর্তমান যুগ আধুনিকতার যুগ তবুও বাবা-মা দেরও দেখা উচিত তাঁদের মেয়েরা যেসব পোশাক পরিধান রাস্তাঘাটে,স্কুল,কলেজে যাচ্ছে তা তাদের আব্রু রক্ষিত হচ্ছে কিনা?? বর্তমানে এরুপ পোশাক-পরিচ্ছেদ পরিধান করার ফলে ছেলেদের করে তুলছে আরো হিংস্র।যার ফলে বাড়ছে ধর্ষনের মতো সামাজিক ব্যাধি। এমন খোলামেলা পোশাক পুরুষদের উত্তেজিত হতে বাধ্য করছে।তাই বলা যায় যে ধর্ষনের জন্যে মেয়েরাও কম দায়ী নয়।ধর্ষনের মতো জঘন্য কাজকে প্রশয় না দিয়ে তাএমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া উচিত যাতে করে কেউ কোনোদিন এই জঘন্য কাজ করার আগে শতবারভাবে।আর কোথায় বলে লজ্জা নারীর ভূষণ।বর্তমানে নারীও তার আব্রু রক্ষা করার পরিবর্তে শরীর দেখাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।যেন খোলা মেলা শরীর দেখিয়ে কিছুটা বিকৃত প্রসংশা শোনা আর অবশ্যই যুবসমাজকে উক্তত করাই এদের উদ্দেশ্য হয়ে উঠেছে।সমস্ত নারী যে এরুপ তা নয়।কিন্তু বেশ কিছু নারী এমন কাজ করে চলেছে গোটা দেশে।শালীনতা বোঝায় রাখার ধার ধারে না তারা। আমরা শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ তাই আামাদেরই ভাবা উচিত কোন কাজটা করা উচিত আর কোনটা নয়।আর আমাদের সমাজের নারীদেরও উচিত শালীনতা বোঝায় রেখে পোশাক পরিধান করা তবেই ধর্ষন নিশ্চয় অনেকাংশেই কমে আসবে।