দেশের এ পর্যন্ত বড়ো কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে একজোট কংগ্রেস সিপিএম

হেমাশ্রী বিশ্বাস, কলকাতা

রাহুল গান্ধীর বলা চৌকিদার চোর স্লোগান ইতিমধ্যে ব‍্যবহৃত হয়েছে। এবার রাফাল প্রশ্নের প্রতিবাদে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বাধতে কোনো আপত্তি নেই জানিয়ে দিয়েছে বঙ্গ সিপিএম। কংগ্রেসের মতামত এর সঙ্গে সিপিএমের মতামত একই যে রাফাল- কান্ড এ যাবৎ কালের মধ্যে সব থেকে বড়ো কেলেঙ্কারি। কেন্দ্রীয় সরকারের এই ন‍্যক্কারজনক আচরণে’ সিবিআই এর সর্ষের মধ্যে ভূত ঘটনার প্রতিবাদে সল্টলেক সিজিও কমপ্লেক্সের সামনে পরপর দুই দিন বিক্ষোভ দেখিয়েছেন দু’দলই সিবিআই অধিকর্তা আলোক বর্মা রাফাল চুক্তি নিয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধান করায় নরেন্দ্র মোদীর সরকারের গলদ ঘর্ম ছুটেছে এবং তার জন‍্য আলোক বর্মা কে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছে। এই অভিযোগ কংগ্রেস ও সিপিএম উভয় দলেরই। এর পর ই প্রশ্ন উঠেছে তাহলে কি কংগ্রেসের সঙ্গে যৌথ আন্দোলনে নামতে পারে সিপিএম? বুধবার বাম পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, ” আপত্তির তো কিছু নেই। এমন এক দুর্নীতির প্রতিবাদ এ যৌথ আন্দোলনে প্রস্তাব পেলে নিশ্চয়ই আমারা ভাববো।” সুজনবাবু বিবৃতিতে বলেছেন “ভুঁইফোড় অর্থলগ্নি সংস্থার লুঠকরা টাকা ফেরানোর দাবিতে বা সদ‍্য শহীদ মিনারের প্রথমিক শিক্ষকদের ধর্না অবস্থানে কংগ্রেস ও সিপিএম নেতারা এক ই মঞ্চে গিয়েছেন।” প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র ও বলে রেখেছেন, রাফাল বা সিবিআই নিয়ে প্রতিবাদে সিপিএমকে তারা ‘সহযোদ্ধা’ হিসেবেই দেখছেন। রাফাল কেলেঙ্কারির মতো দুর্নীতির অস্ত্র পেয়েও তৃনমূল কেনো নীরব, সেই প্রশ্ন ও তোলেন সোমেনবাবু। তাঁর বক্তব্যে অনুযায়ী তবে কী ” এই নিরবতার মানেই কি ভয়? সারদা বা নারদা তদন্ত নিয়ে এখন নাড়াচাড়া হচ্ছে বলেই কি শাসকদল চুপ?” তৃনমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় তার পরিপ্রেক্ষিতে বলেন, “তাঁরা অবশ্যই ‘পাহাড়প্রমাণ ‘ দুর্নীতির বিরুদ্ধে। তবে যেসব বিষয় আমজনতাকে সরাসরি ভোগান্তিতে ফেলেছে, সেগুলোর প্রতিবাদই তাঁদের কাছে অগ্রাধিকার।”