চলুন ঘুরে আসি পাশের রাজ্য বিহারে

 

ইন্দ্রনীল সিনহাঃ-   আজ আমরা সেই জায়গাটা ঘোরার কথা বলছি ।সেটা হচ্চে বিহার রাজ্য ভাগলপুর,যাকে সিল্ক সিটি নামে জানা যায় ।কেন কি এখানকার সিল্ক খুব বিখ্যাত।
ভাগলপুরে অনেক ঘরবার জায়গা আছে ।যার মধ্যে শরৎচন্দ্রের মামার বাড়ি যেখানে বাল্যকাল কাটিয়েছেন ও পড়াশোনা করেছেন।আমরা একটি গল্প পড়েছি যেখানে বলিপ্রথা করেছেন। এই দুই জায়গাটি মানিক সরকারের কাছে আছে।আমরা ওনার দেবদাস গল্পটি শুনেছি।যাতে পাড়ার উল্লেখ আছে।পাড়ার বাড়ি আছে বুড়োনাথের।ওখানে বুড়োনাথ মন্দির আছে যেটাকে কুন্তী মন্দির বলা হয় ।শোনা যায় কুন্তী ওখানে এসে পূজা করতেন।এই মন্দিরের মুখ্য দ্বার দিয়ে প্রবেশ করার পর মা দুর্গার মন্দিরের পিছনে শিব মন্দির আছে । আমরা সবাই দাতা কর্ণের নাম শুনেছি, যেটা মুঙ্গের জেলাতে পরে ভাগলপুর থেকে ৬২.১ কিলোমিটার দূরে যেটা উপরে পরে । সেখানে একটা বিশাল করাই আছে যেটা নবমীর দিন রান্না করে প্রসাদ বিতরণ করা হতো। প্রসাদ বিতরণ সূর্য অস্ত্র পর্যন্ত হতে থাকে।যার মধ্যে প্রাসাদ কখনো শেষ হয় না ।

downloadf46907ea_2fWhatsApp_2fMedia_2fWhatsApp_20Images_2fIMG-20181011-WA0034

এবার আমরা সবাই বেহুল্যালখিন্দরের গল্প শুনেছি , চাঁদ সওদাগর একটি লোহার খরগো বানিয়ে ছিলেন। ওই খর্গটা এখন মাটির তলায় চলে গেছে। তবে ওর সামান্য অংশ মাটির উপরে ভেসে আছে। এটা চম্প নগরের ডেউরি স্থানে আছে। আমরা বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় নাম জানি উনার লেখা “পথের পাঁচালী “বাড়িতে লেখা হয়েছিল। সেই বাড়িটি ছিল বুড়ানাথ মন্দির এর কাছে। বড় বাসা নামক বাড়িতে লেখা হয়েছিল। ভাগলপুরে আরো একটি দর্শনীয় স্থান আছে সেটির নাম কুপ্পাঘাত। যেখানে মহয়ি বাবার আশ্রয় আছে। ওর নামে একটা তোফা আছে যেটা কিছুদূর যাওয়ার পরে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যেটা দিয়ে মুঙ্গেরে যায়।

download55b65627_2fWhatsApp_2fMedia_2fWhatsApp_20Images_2fIMG-20181011-WA0031
চলুন এবার একটু বাইরে ঘুরে আসি ভাগলপুর থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে একটি অংশ স্তুপ আছে। যেটা বিক্রমশিলা নামে পরিচিত। এখানে চন্দ্রগুপ্তের সময় বিদ্যালয় ছিল। এখানে একটা ধার্মিক স্থল আছে যার নাম ঘুরন পীর বাবা। সুফি সন্ন্যাসী ঘুরন পীর বাবার উদ্দেশ্যে তৈরি। এই পীর মাহাত্ম্য ভালোভাবে সব ধর্মের মধ্যে প্রচারিত।সুলতান গঞ্জের নাম আমরা অনেকে শুনেছি, এটা ভাগলপুর থেকে ২৮.২কিলোমিটার দূরে ৩৩০ নং জাতীয় সড়কের ওপর।এখানকার গঙ্গার মাঝে একটি জোট মন্দির আছে।যেটি মা দুর্গা ও শিবের উত্তরমুখী হয়ে বয়ে যায় গঙ্গা।পৌরাণিক প্রথা অনুযায়ী শিব মা দুর্গাকে বাঁচিয়েছিলেন যেন উনি কাউকে আশীর্বাদ না দেন।ওই পাহাড়ের ঠিক সামনে আরো একটি পাহাড় ছিল।যে কালা পাহাড় শাসকের নাম।এবার আমরা বিহার থেকে বেরিয়ে ঝাড়খণ্ডের দিকে বেড়াতে যায়।যেখানে আছে দেওঘর শিব মন্দির অনুকূল ঠাকুরের আশ্রম ও চিত্রকূট পাহাড় ওখান থেকে ফেরত আসার সময় আপনি একবার বাসুকি নামধাম ঘুরে আসবেন। এরপর চলে যান মন্দার পর্বত। মন্দার পর্বত অতি প্রাচীন ভারতের ধর্ম গ্রন্থ। পুরনো আর মহাভারতে সমুদ্রমন্থনের কথা উল্লেখিত। বিশাল গ্রানাইট পাথরে সুউচ্চ পাহাড়। পাহাড়ের গায়ে চওড়া দফা দাগ আছে সোপের। বিশ্বাস করা হয় যে এই পদ্ধতি বাসু দিকে পেঁচিয়ে সমুদ্র মন্থন করা হয়। এখানে পৌষ সংক্রান্তির দিনে ভক্তদের সমাগম হয়।

download8a9c9168_2fWhatsApp_2fMedia_2fWhatsApp_20Images_2fIMG-20181011-WA0032

কীভাবে যাবেন?
= তিন ভাবে যাওয়া যায়।
শিয়ালদাহ থেকে বারাণসী এক্সপ্রেস
হাওড়া থেকে ছাড়ে জামালপুর ও গয়া এক্সপ্রেস।
কোথায় থাকবেন?
= বাজেট হোটেল থেকে শুরু করে লাক্সারি হোটেল এর ব্যবস্থা আছে। হোটেল গল্যাড, অথিতি প্যালেস,।

যেতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন সন্তোষ রাম(ট্রাভেল এজেন্ট) – 7870531821
9431872064