“আসলেই কি কৃষক দরদী নাকি ভোট দখলের লালসা?”

হেমশ্রী বিশ্বাস, কলকাতাঃ- ইতিমধ্যে কৃষকদের উপার্জন দ্বিগুণ করার লক্ষমাত্রা নিয়েছেন মোদী সরকার। বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। আর এটাই হলো মোক্ষম অস্ত্র, সেই কারনেই মরিয়া বিজেপি। তার দরুন নতুন প্রকল্প চালু করলো মোদী সরকার। যার নাম প্রধানমন্ত্রী অন্নদাতা আয় সংরক্ষণ। সংক্ষেপে পিএম-আশা। কৃষকদেরকে যাতে অভাবী অবস্থায় না আসতে হয় সেই বিষয়ে জোর দেওয়া হচ্ছে। সরকার দ্বারা ঘোষণা ফসল মূল্যর চেয়ে বাজার দর কম থাকলে কৃষকদের উৎপাদন ফসল কিনে নেবে কেন্দ্রীয় সরকার এমনটাই দাবী। এই জন‍্য বেসরকারি সংস্থার ও সাহায্যের হাত চাইছে কেন্দ্র।
কৃষকদের সমস‍্যার কথা মাথায় রেখে তার লক্ষ্যে আজ মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে ‘পিএম-আশা’ প্রকল্পের জন‍্য ১৫ হাজার ৫৩ কোটি টাকা অনুমোদিত করা হলো।
মন্ত্রীসভার বৈঠকে জানানো হয়েছে প্রাইস সাপোর্ট সিস্টেম, প্রাইস ডফিসিয়েন্সি পেমেন্ট স্কিম এবং পাইলট অফ প্রাইভেট প্রকিওরমেন্ট অ্যান্ড স্টকলিস্ট স্কিম, এই তিনটিকে এক আওতাধীন করা হবে। ধান , গম, তৈলবীজ, দানাশস‍্য, পাট এবং তুলা যাতে কোন ও ভাবেই নষ্ট না হয় কৃষকরা অভাবী বিক্রিতে বাধ‍্য না হয়, এর সঙ্গে খাদ‍্য ও গনবন্টকমন্ত্রক, বস্ত্রমন্ত্রক এই ব‍্যপারে বাড়তি উদ‍্যোগ নেবে। প্রসংগত বছর ঘুরলেই লোকসভা তার আগে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেবে মোদী সরকার। যার আওতায় এই প্রকল্প রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহল মারফত খবর। যথাযথ ভাবেই মোদীর এই সিদ্ধান্তকে কটাক্ষ করেছে বিরোধীরা। এতো দিন যে কৃষকরা আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছিল কিন্তু তার পর ও কোনো ব‍্যবস্থা নেয়নি সরকার। এখন কেন তবে কৃষক দরদী বোঝাতে নতুন প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে? ভোট পাওয়ার আশায় এই সিদ্ধান্ত একথা বিরোধীরা বলেন, এই ব‍্যপারে সরব হতে শুরু করেছেন অনেকেই।